শুভ্র সরকারের কবিতা

শুভ্র সরকার

মুখোশগুলো ছিটকে পড়ছে উত্তরে


আমি এখন মানুষ দেখি কম

যদিও বা দেখি—তবে তদের মুখে দেখতে পাই

ভেঙে যাওয়া আয়নার দাগ

 

এখানে মানুষের হাত তো মানুষের আশ্রয় না

বরং মানুষ তার সামনে কেউ মরতে দেখলে

ক্রমশ আরো সুন্দর ও রঙিন হয়

তাদের জন্যে বিরহ সে বড় দুরূহ ব্যাপার!

 

একজন মানুষের হাত থেকে

আরেকজন মানুষের হাত কতদূর এখন?

 


আত্মহত্যা, সেলাই করছি


ইদানিং কেউ আমাকে আর আত্মহত্যার কথা বলছে না

পিনু, শালা তুইতো আর বলবি না কখনো

তুই শালা কুত্তার জাত

নেশা করে করে তুই শালা উড়াল শিখলি, শিখলি না কীভাবে পূরণ করতে হয় শূন্যস্থান।

 

আমার মন খারাপ নিয়ে 

আমি এখনো কবিতা লিখি

আর দেখি মর্গের ভেতর পড়ে আছে তোর লাশ

কখন জানি তোর নিদ্রা ভেঙে যায়

কখন জানি তুই লাফিয়ে বলে উঠিস 

আত্মহননের আনন্দই আলাদা

 


খড়কি মাছ


বেঁচে থাকা কত না আপ্ত

হাতমুখ ধু’য়ে জীবনকে সতেজ করা যায়

 

পাতায় নিহত রৌদ্রের প্রতিমা

চাঁদে ঝরে যায়—চৈত্যনের যোগ

বিচ্ছিন্নতা, আমি তাতে বসে থেকে দেখেছি

বিষণ্নতাও অনাথ হয়

 

অন্ধকারে লবণাক্ত স্মৃতি নিয়ে

ভেসে গেছে কিছু খড়কি মাছ

অন্ধকারে তারা আরো কৃষ্ণকায়।

বিজ্ঞাপন

guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments