‘বাংলা একাডেমি যদি পাই, তাইলে ব্যাপারটা তখন ঐতিহ্যের চেয়েও বড় হয়ে যায়’

আহমাদ সাব্বির

জুবায়ের রশীদ একজন তরুণ আলেম, লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক, যিনি তারুণ্যের দীপ্তিতে নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলেছেন। ১৯৯৫ সালের ১২ ডিসেম্বর নরসিংদীর রায়পুরায় জন্ম নেওয়া এই লেখকের শিক্ষাজীবন কওমি মাদরাসাকেন্দ্রিক। ঢাকার জামিয়া রাহমানিয়া থেকে তাকমিল এবং আকবর কমপ্লেক্স থেকে ইফতা সম্পন্ন করেন। কুরআন-হাদিস, ফিকহ ও সাহিত্য তার নিত্যসঙ্গী। দেয়াল পত্রিকা থেকে শুরু করে জাতীয় দৈনিক পর্যন্ত তার লেখালেখি বিস্তৃত। মৌলিক, অনুবাদ ও সম্পাদনা মিলিয়ে তার প্রকাশিত গ্রন্থ প্রায় ২০টি। ‘গালিবের মুশায়েরা’ পাণ্ডুলিপির জন্য তিনি ‘ঐতিহ্য শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ অর্জন করেছেন।
 জুবায়ের রশীদের ডবুফিকশন, লেখার পেছনের গল্প এবং পুরস্কারে ভূষিত যাপন—ইত্যাদি বিষয়ে যোগাযোগের সম্পাদক একটি অনলাইন আড্ডায় তার মুখোমুখি হয়েছিলেন। উভয়ের আড্ডা যোগাযোগের পাঠকদের জন্য হাজির করা হলো।


আহমাদ সাব্বির: ঐতিহ্য শান্তনু কায়সার পুরস্কার পাইলেন, অনুভূতি কী আপনার? কেমন ফিল হচ্ছে?

জুবায়ের রশীদ: অনুভূতি তো অবশ্যই আনন্দের। লেখালেখি নিয়ে আমার আবেগ-আগ্রহ সম্বন্ধে কমবেশি তো আপনি জানেনই, ভালো লাগছে সত্যি। আরেকটা হচ্ছে, অবস্থানগত দিক থেকে আমরা এমন একটা জায়গায়/ঘরানায় আছি যেখানে থেকে পুরস্কার ইত্যাদি আশা করা দুরূহই বটে, তো লেখালেখি ও বয়সের এ পর্যায়ে একটি স্বীকৃত সাহিত্য পুরস্কার সাহস যোগাবে নিঃসন্দেহে।

আহমাদ সাব্বির: এর আগে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে স্বীকৃতি বা সম্মানসূচক কিছু পেয়েছেন কি, লেখালেখিতে?

জুবায়ের রশীদ: এর আগে লেখক ফোরাম থেকে ‘সেরা গ্রন্থ সম্মাননা’ পেয়েছি। এটা গত বছরের ঘটনা। সাহিত্য পুরস্কার এটিই প্রথম।

আহমাদ সাব্বির: আপনি তো বললেন যে, আগে লেখক ফোরামের সম্মাননা পাইছেন। সেটা কি সাহস যোগাবে না? বা সেইটা কি সাহসের জন্য যথেষ্ট না? সাহস যোগানোর জন্য ঐতিহ্য-ই লাগলো? ঐতিহ্য শান্তনু কায়সারে কী আছে আসলে? মানে, যে ঘারানার কথা বলতেছেন আপনি, আপনার এ কথাতে ঐতিহ্য’র ‘ঘরানাটা’কেই বড় করে দেখতেছেন কি না!

জুবায়ের রশীদ: লেখক ফোরামের সম্মাননাও সাহস যুগিয়েছে। সাহসের বিষয়টা কেবল ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত না। আপনি ঐতিহ্যের বিষয়টা এনেছেন তাই প্রসঙ্গত বলা। যেকোনো পুরস্কারেই আনন্দ ও সাহসের  ব্যাপারটা আছে। আবার পুরস্কার না পাইলেও যে লিখতাম না, তা না ব্যাপারটা। এই হচ্ছে একটা দিক। আরেকটা হচ্ছে, লেখক ফোরামের সম্মাননা, যেটা আপনি বললেন, সেটা আমাদের ঘরানা এবং আরও স্পষ্ট করে বললে, ফোরামের সদস্যদের মাঝে সীমাবদ্ধ। সেখানে ঐতিহ্য-শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার অনেক বেশি বিস্তৃত, কোনো গণ্ডিবদ্ধ না, সবার জন্য উন্মুক্ত। আবার মনে করেন যে, বাংলা একাডেমি যদি পাই তাইলে ব্যাপারটা তখন ঐতিহ্যের চেয়েও বড় হয়ে যায়। একুশে পদক হলে আরও বেশি না ব্যাপারটা?

আহমাদ সাব্বির: হুম ভাই, যে কাজটার জন্য পুরস্কার পাইলেন ওইটা কী ধরনের বই?

জুবায়ের রশীদ: মির্জা গালিবকে নিয়ে ডকু-ফিকশন, একজন কমলালেবুর মতো। গালিবের জীবন, সময় ও কবিতার ওপর কাজটি।

আহমাদ সাব্বির: গালিবকে নিয়ে আপনার আগ্রহ ঠিক কী কারণে? মানে, আমি যেটা বলতে চাচ্ছি, আপনার পড়াশোনা যে ধারায় তাতে তো গালিব আসার কথা না। বেশির বেশি রুমি আসলে কথা ছিল। কিন্তু গালিব-ই কেন?

জুবায়ের রশীদ: আমি মাদরাসা থেকে এসেছি ঠিকাছে; কিন্তু আমার পাঠ তো বিস্তৃত ছিল। ফলে গালিব পর্যন্ত পৌঁছা খুবই সহজ ঘটনা আমার জন্য। আমি যখন ফাইভে পড়ি (মাদরাসায় যেটাকে বলে ইবতেদাইয়া) তখন থেকে রেলওয়ে ফুটপাত থেকে বই কিনে পড়া শুরু করেছি। আমাদের ছোটোবেলায় জেলা স্টেশনগুলোতে বইয়ের দোকান ছিল, যেখানে মূলত পত্রপত্রিকা, চটুল ম্যাগাজিন আর সস্তা জনপ্রিয় বই পাওয়া যেত। একটা সময় দেখা গেছে কিনে আর পড়তে পারছি না। পাশেই ছিল সরকারি গণগ্রন্থাগার। সেখানে যাওয়া শুরু করলাম। মাদরাসার পাঠাগার তো ছিলই। তারপর মফস্বল ছেড়ে রাজধানীতে এলাম। এখানে দেশের সেরা দুটি মাদরাসায় পড়েছি। যেখানে সমৃদ্ধ পাঠাগার ছিল। ঢাকায় এসে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের খোঁজ পেলাম। নীলক্ষেত-পল্টনের ফুটপাতে চষে বেড়ালাম। লেখালেখির সার্কেল তৈরি হলো। তাদের সংগ্রহে বই আছে। আমার কেনা বইও তারা নিয়ে পড়ল। তো এভাবে দুই ধারার পাঠের ভেতর দিয়েই বেড়ে উঠেছি। তাই মির্জা গালিব বা এমনতর যে কারো সন্ধান পাওয়া সহজই ছিল।

তারপর কথা হলো, রুমি বা এ জাতীয় কাউকে না লিখে গালিবকে কেন লিখলাম। এখানে একটা সহজ ব্যাপার আছে, মওলানা রুমি, শেখ সাদি, এমনকি আবদুর রহমান জামি ও মনসুর হাল্লাজকেও লিটারেচারি তাদের জীবন ও কবিতা পাঠ করে ফেলেছি যখন, যে সময়টাতে আমি মূলত পাঠের ভেতর দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলাম। তখন লেখালেখির ব্যাপারটা এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল না; পাঠই মুখ্য ছিল। মুসা আল হাফিজ লিখেছেন তাদেরকে নিয়ে। এখন তো মুসা সাহেবকে অন্যভাবে চিনে পাঠক। খুব ভারী বিষয়ে বলেন-লেখেন। কিন্তু একটা সময় আমরা যখন মোটামুটি পাঠে অগ্রসর হচ্ছি তখন তিনি সাহিত্যে যাপন করতেন। তার এ বইগুলো আমরা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েছি। তিনি এখানে এসে থেমেছেন। মনে করতে পারেন, আমি তারপর গালিব লিখে ফেললাম। এখানে আপনার প্রশ্নের একটা যোগসূত্র আছে। আরেকটা হলো, গালিব বা উর্দু সাহিত্যের সঙ্গে যখন পরিচয় হয়েছে তখন আমি লেখালেখিতে সরব। ফলে এটা অনেক বেশি ক্রিয়াশীল ছিল ভেতরে।

শেষে যদি বলি, খুব ভেবেচিন্তে পরিকল্পনা করে গালিবকে নিয়ে লিখেছি, তা না। চতুর্ভুজে একটা লেখা দেওয়া লাগত। কয়েকদিন ধরে ভাবছিলাম কোন বিষয়ে লেখা যায়। পাশাপাশি কয়েকটা বিষয় করোটিতে খুঁজে পেলাম; কিন্তু চতুর্ভুজ যেহেতু গদ্যবিষয়ক পত্রিকা তাই গদ্যকে প্রাধান্য দিয়ে লেখার জন্য গালিবকে নিলাম। শুরুতে ইচ্ছা ছিল গালিবকে নিয়ে দেড়-দুই হাজার শব্দে একটা গদ্য লিখব। কিন্তু লিখতে বসে দেখি গালিবের পুরো জীবনটাই আমার ভেতরে আছে। অনায়াসে বিশ-ত্রিশ হাজার শব্দ লিখে উঠতে পারব। তো লেখা শুরু করলাম, হয়ে গেল।

আহমাদ সাব্বির: একজন কমলালেবু বলতে কি একদম ‘একজন কমলালেবু’র মতোই? শাহাদুজ্জামানকে কি খুব ফলো করেন?

জুবায়ের রশীদ: না, একদম তো না; জনরাটা বোঝানোর জন্য কমলালেবুর কথা বললাম। আমার কাজটি একদম গবেষণা টাইপ তথ্যমূলক না; আবার নিছকই কল্পিত না। মনে করেন যে, গালিব একবার পেনশনের জন্য দিল্লি থেকে কলকাতা সফর করছে। সে সময়ে আসা-যাওয়া মিলিয়ে তার দুই বছর লেগেছে। গালিবের জীবনীগুলোতে শুধু এ তথ্যটা আছে, তিনি কখন সফর করেছেন কোন কোন পথে গিয়েছেন। আমি এখানে তৎকালীন হিন্দুস্তানের সময় ও বাস্তবতা কল্পনা করে বেসিক তথ্য ঠিক রেখে ফিকশনে রূপ দিয়েছি; গালিবের জীবনকাল এবং আমার গদ্য।

শাহাদুজ্জামানের কথা যেটা বললেন, তিনি তো ভালো লেখেন। গল্প ও ডকু-ফিকশনে এ সময়ের সেরা। দশকের বিচারে ষাট-সত্তরের দশক পর্যন্ত যারা আছেন তাদের পরে বাংলাসাহিত্যে আশি-নব্বইয়ের দশকের খুব কম লেখকই এখনও পর্যন্ত ব্যাপক সমাদৃত হয়েছেন। তো এই স্বল্প লেখকদের মধ্যে শাহাদুজ্জামান অন্যতম যিনি রচনাগুণে পাঠক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। শাহাদুজ্জামানের প্রায় রচনা আমি পড়েছি। এখানে পাঠগত ভালোলাগার বিষয় যেমন আছে; আবার বাংলা গদ্যের সিলসিলাগত একটা ব্যাপারও আছে। মানে আমার ষাটের দশক পর্যন্ত অনেকের লেখা পড়ার মতো আছে; কিন্তু এরপরে কাকে পড়ব এই প্রশ্নের খোঁজে শাহাদুজ্জামানের নাম আসে অনায়াসে। পড়তে পড়তে যতটুকু হয়ে যায়। আরও অনেকরেই তো পড়া হয়। সেভাবে কাউকে ফলো করে লিখি না।

আহমাদ সাব্বির: আমার কিংবদন্তির কথা বলছি পড়ে অনেকেই মন্তব্য করছিল ‘একজন কমলালেবু’র মতো। এইটা ঠিক বলছেন, ডকু-ফিকশন-এ তার মতো সুখ্যাতি কেউ পায় নাই। যার ফলে ডকু-ফিকশনের কথা আসলেই উনি চলে আসেন।

এমনে কাউকে কি সেভাবে পড়েন না গদ্যের উন্নতির জন্য? বেশি পড়া হয় কাকে? যে কোনো পাশের হইতে পারে সে।

জুবায়ের রশীদ: আপনার ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ ভালো রচনা। আমদের তরুণদের মধ্যে আপনিই মনে হয় প্রথম এ জাতীয় গদ্যপ্রধান গ্রন্থ লিখেছেন। এমনতর রচনা লিখে সবচেয়ে বেশি আনন্দটা লেখকই পান। আমরা তো দায় ও দরদের লেখালেখি করি বেশি। এর পাশাপাশি এমনতর রচনা আনন্দ দেয়। আমার বুনোগন্ধের জীবন, তারপর গালিবের মুশায়েরা আনন্দের জন্যই প্রধানত লেখা। 

এখন লেখক বাছাই করেই পড়ি। সাহিত্য পড়ার ক্ষেত্রে গদ্য ভালো এমন লেখকদের লেখাই পড়া হয়। পড়তে পড়তে যাদের লেখা অধিকতর মুগ্ধ হয়েছি তাদের বইপত্র পড়ি বেছে বেছে। আগে পড়ে ফেলেছি কিন্তু ভালো বই বারবার পড়া যায়—এমন সব বইও পড়ি নিয়মিত। বুনোগন্ধের জীবনে পছন্দের লেখকদের নিয়ে বলেছি; এখানে আর না বলি। তরুণ লেখকদের বইও পড়ি। আমাদের সমবয়সি বা সিনিয়র অনেকেই ভালো লিখছেন। পড়ি; পড়াটা লেখার মতোই আনন্দের।

আহমাদ সাব্বির: তার মানে সেভাবে কারুর নাম বলতে চাচ্ছেন না?

জুবায়ের রশীদ: বলতে চাচ্ছি না, এমন না। গদ্যের উন্নতি ও চর্চার জন্য সামগ্রিক অর্থে দু-চারজনের নাম বলা কঠিন আসলে। তাছাড়া একজন লেখকের সমস্ত বই না পড়ে বরং অনেক লেখকের ভালো ভালো বই পড়া উচিত। তারপরও স্বল্পসংখ্যক এমন লেখক আছেন যাদের বই তুলনামূলক বেশি পড়া হয়েছে; আবার এমন অনেক লেখক আছেন, যাদের এক-দুইটা বই গদ্যের জন্য খুব আয়েশ করে পড়েছি, একাধিকবার পড়েছি। বুনোগন্ধের জীবনে আমার পাঠ নিয়ে একটি লেখা আছে, সেখানে পছন্দের লেখক এবং পছন্দের বইয়ের নাম উল্লেখ করেছি খানিক দীর্ঘ করে। গদ্যের শীলন বইয়েও নানা বিষয়ে পছন্দের লেখক ও বইয়ের কথা বলেছি।

আহমাদ সাব্বির: বইয়ের কথায় আসি। এই বই থেকে কি পাঠক গালিবের টোটাল জীবনীটা, একেবারে শুরু-শেষ জানতে পারবে? কীভাবে লিখেছেন? মানে কোন দিকটাতে জোর দিয়েছেন?

জুবায়ের রশীদ: মির্জা গালিবের সময়কাল আজ থেকে দুইশো বছর পূর্বেকার। অন্য আর দশজন কবি-লেখকের মতো গালিবের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি বা পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। গালিবের কবিতা ও চিঠিতে এবং তার সমকালীন অন্য কবি ও শিষ্যদের মারফত যেটুকু জানা যায়, এই। আবার যে তথ্যগুলো আছে তাতেও একাধিক মত রয়েছে। আমি যা করেছি, সে তথ্যগুলো সামনে রেখে সেকালের মোঘল দিল্লি ও ভারতের সার্বিক পরিস্থিতি কল্পনা করে এবং গালিবের সমসাময়িক কবিদের জীবন ও চরিত্র অধ্যয়ন করে একটি উপযুক্ত ডকু-ফিকশন রচনা করেছি। সবকিছু মিলিয়ে এখানে গালিবকে পূর্ণাঙ্গই জানা যাবে; তার জীবন, তার মনস্তত্ত্ব এবং সেই সাথে উর্দু কবিতা-সাহিত্য ও বিশেষ করে দিল্লি স্কুল অব পোয়েট্রি সম্বন্ধেও। শের-শায়েরির আনন্দটাও অনুভব করতে পারবেন পাঠক ছত্রে ছত্রে, এই অবকাশ রেখেছি। বইটি নিয়ে আমি অধিকতর আশাবাদী যে, পাঠক ও সমালোচকগণ মূল্যায়ন করবেন।

আহমাদ সাব্বির: এখন কী লিখছেন?

জুবায়ের রশীদ: এখন পড়ছি সময় নিয়ে, প্রস্তুতি নিচ্ছি নতুন কিছুর। একটা আইডিয়া ঘুরছে করোটিতে। দেখি শেষ পর্যন্ত লিখে উঠতে পারি কি না; বেশ প্রস্তুতির বিষয় আছে। এমনিতে নিয়মিত অল্পআধটু হলেও লেখায় থাকি। হাত জারি রাখা আরকি। উত্তরবঙ্গে ঘোরাঘুরি নিয়ে মোটামুটি দীর্ঘই হবে একটা ভ্রমণ-গদ্য লিখে শেষ করেছি।

আহমাদ সাব্বির: ঠিকাছে ভাই, কথা বলে ভালো লাগল। ভালো থাকবেন।

জুবায়ের রশীদ: আমারও খুব ভালো লাগল। আপনিও ভালো থাকবেন ভাই।

বিজ্ঞাপন

guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
তা মি ম
তা মি ম
2 months ago

এভাবে এগিয়ে যাক সাহিত্য; মূল্যায়ন হোক প্রতিভার। সাক্ষাৎকারে সাব্বির ভাই আরো কিছু প্রশ্ন রাখতে পারতেন। মানে আমার জানার আগ্রহ ছিলো, কোন বিবেচনায় বইটা পুরুষ্কার পেলো— এই টাইপ।