চতুর্দশ শতকের মুসলিমবিশ্বে ইবনে বতুতা এমন এক নাম, যার ভ্রমণগ্রন্থ “কিতাবুর রিহলা” মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য দলিল। তিনি একাধারে পরিব্রাজক, কাজী ও আলেম ছিলেন। তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্তের মাধ্যমে মধ্যযুগীয় আফ্রিকা, আরব, ভারতবর্ষ ও চীনের সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক অবস্থার এক জীবন্ত চিত্র পাওয়া যায়। তাঁর এই দীর্ঘ ভ্রমণযাত্রার অন্যতম বিশেষ অধ্যায় হলো বাংলার উপকূলীয় বন্দর “সোদকাওয়ান” (বর্তমান চট্টগ্রাম)-এ পদার্পণ, যা তৎকালীন বাংলার বাণিজ্যকেন্দ্র ও সুফি সংস্কৃতির মিলনস্থল হিসেবে খ্যাত ছিল।
মুসলিম-বিজয়ের প্রায় পাঁচশত বছর পর পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলবর্তী মরক্কোর তাঞ্জিয়ারে ১৩০৪ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসের কোনো একদিন কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে বতুতা। তিনি আফ্রিকার লাওয়াতা নামক যাযাবর সুন্নি মুসলিম পরিবারের এক শিক্ষিত ও ধর্মপ্রাণ সন্তান ছিলেন। ধর্মীয় শিক্ষায় পারদর্শী হয়ে ১৩২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন তিনি হজ্ব করার উদ্দেশ্যে মরক্কো ত্যাগ করেন। মরক্কো ত্যাগের সময় তাঁর পিতা-মাতা জীবিত ছিলেন।
দীর্ঘ এক বছর তিন মাসের মতো যাত্রাপথ শেষে তিনি মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় পৌঁছন। সেখানে সুফি ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তি বোরহান উদ্দিন ও শেখ মুর্শিদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। যারা তাঁর ভবিষ্যৎ ভ্রমণের দিকনির্দেশনা দেয়। শেখ বোরহান উদ্দিন বতুতাকে দেখে বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে তুমি বিদেশ ভ্রমণ পছন্দ করো। তুমি ভারতে আমার ভাই ফরিদউদ্দিন, সিন্ধু প্রদেশ রুকনউদ্দিন এবং চীনে বুরহানউদ্দিনের সাথে দেখা করবে এবং আমার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবে।’ অপর ব্যাক্তি হলেন শেখ মুর্শিদি। যিনি তাকে একটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা প্রদান করার মাধ্যমে তাকে বিশ্বভ্রমনের জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, ‘তুমি প্রথমে মক্কায় হজ্ব পালন করবে এবং সেখান থেকে ইরান-ইরাক ভ্রমণ করে ভারতে যাবে, সেখানে কিছুদিন অবস্থানের পর বিপদে পড়লে আমার ভাই দিলশাদ তোমাকে বিপদ থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করবে।’ [1]ইবনে বতুতার সফরনামা, মোহাম্মদ নাসির আলী, ধ্রুপদ প্রকাশিত-২০১৪, পৃষ্ঠা ৫-৬। যথা সময়ে হজ্ব পালনের পর তিনি মক্কা থেকে পারস্য, মেসোপটেমিয়া, আনাতোলিয়া, মধ্য এশিয়া হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।
১৩৩৩ খ্রীস্টাব্দে সিন্ধু ও পাঞ্জাব অতিক্রম করে তিনি দিল্লিতে পৌঁছন। তখন দিল্লি সালতানাতের শাসক ছিলেন মুহাম্মদ বিন তুঘলক (১৩২৫-১৩৫১ খ্রীস্টাব্দ)। সুলতান কোনো কাজে রাজধানী দিল্লির বাহিরে ছিলেন। তিনি ৪ জুন ১৩৩৪ খ্রীস্টাব্দে রাজধানীর নিকটবর্তী তিলবাত দূর্গে ফিরে আসেন। তখন বতুতা তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে সুলতানের কাছে উপহার নিয়ে দূর্গে দেখা করতে যান। সুলতান তাঁর ভ্রমণবৃত্ত, ইসলামি জ্ঞান ও পারিবারিক কাজী সূত্র দেখে তাঁকে দিল্লির কাজী হিসেবে নিয়োগ দেন। প্রায় সাত বছর কাজীর দায়িত্ব পালনের পর রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে সুলতান তাঁকে চীন সম্রাটের পাঠানো দূতের বিপরীতে দিল্লি সালতানাতের দূত হিসাবে নিযুক্ত করেন।[2]প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৯৯-১১৬।
বতুতাকে দূত হিসেবে নিয়োগের পাশাপাশি সহ-দূত করা হয় আমীর জহিরউদ্দীনকে এবং উপহার দ্রব্যের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয় ক্রীতদাস কাফুরকে। সুলতানের উপহার ছিলো ১০০টি ঘোড়া, ১০০ জন ক্রীতদাস, সোনার পাত্র, রৌপ্যপাত্র, ১২শ বস্ত্রখন্ড। যাওয়ার জন্য দুইটি জাহাজ প্রদান করন। কিন্তু স্থলপথে জলদস্যুদের আক্রমণের ফলে যাত্রা ব্যাহত হয়। এরপর তিনি গুজরাট হয়ে কলিকট বন্দরে পৌঁছন। কিন্তু এক ঝড়ে একটি জাহাজ ও উপহার সামগ্রী কলিকট বন্দরের নিকট সমুদ্রে তলিয়ে যায়। ফলে দিল্লি ফিরে গেলে বিপদের আশঙ্কায় তিনি ‘দিবাত-আল-মহল’ (মালদ্বীপ) অভিমুখে যাত্রা করেন। সেখানে কয়েকবছর অবস্থান করেন এবং কাজী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে আবারও চীন ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। ১৩৪৫ খ্রীস্টাব্দে মালদ্বীপ হয়ে সিংহল আসেন। সিংহলে কিছুদিন অবস্থানের পর পাশে বাংলা বা দোজখ-ই-পুর নিয়ামতে আসার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন।[3]Travels of Ibn Battuta, translated by H.A.R. Gibb, p.265. [4]প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ১১৭-১৩৫।
বতুতা দীর্ঘ তেতাল্লিশ দিন সমুদ্রযাত্রার পর অবশেষে ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ৯ জুলাই বাংলার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চল সোদকাওয়ান বা বর্তমান চট্টগ্রামে পদার্পণ করেন। পূর্বে চট্টগ্রামকে আরবিতে সোদকাওয়ান নামে ডাকা হতো। সোদকাওয়ান মানে ‘সাগর পাড়’। মূলত আরবি ‘শাৎগাঙ’ নামের বিকৃত রূপ ছিলো সোদকাওয়ান। আর চট্টগ্রাম শহর ছিলো সমুদ্র তীরবর্তী একটি নগর।[5]প্রাচ্যের রানি চট্টগ্রামের নামের খোঁজে, বদল হয়েছিল ৪৮ বার! ‘রাফিয়া মাহমুদ … Continue reading যেখানে পূর্বে দিকে আরাকান পর্বতমালার স্পর্শ বিদ্যমান ছিলো। ফলে চির সবুজের দেখা মিলত দূরবর্তী সাগর থেকে। বতুতা সোদকাওয়ানের সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিলেন। তিনি তাঁর রচনায় সোদকাওয়ানের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে লিখেছেন—“দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার পর আমরা এমন এক বন্দরে পৌঁছুলাম, যা দুটি নদীর মিলনস্থলের অল্প দূরে অবস্থিত। এখানে খাদ্যদ্রব্য সস্তা এবং প্রাচুর্যময়; খোরাসানে একে ‘দোজখ-ই-পুর-নিয়ামত’ বলা হয়।”
সোদকাওয়ান আসলে বর্তমান চট্টগ্রাম কি না এ বিষয়ে প্রথম দিকের ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ ছিল। প্রথমদিকে ইতিহাসবিদরা সোদকাওয়ান বলতে পশ্চিমবঙ্গের সাতগাঁও মনে করতেন। তবে বতুতার ভ্রমণের সময়কালে সাতগাঁও সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের অধীনে ছিলো।[6]আবদুল হক চৌধুরীর রচনাবলি-২য় খন্ড, সম্পাদনা: আবদুল করিম ; প্রকাশক : বাংলা … Continue reading আর বতুতা তার বর্ণনায় উল্লেখ করেন সুলতান ফখরউদ্দিন মোবারক শাহের শাসনের কথা।
এতে বোঝা যায় বতুতার উল্লেখকৃত সোদকাওয়ান পশ্চিম বঙ্গের সাতগাঁও বন্দর ছিলো না। তাছাড়া সোদকাওয়ান যে প্রকৃত চট্টগ্রাম ছিলো তা বতুতার বর্ণনায় পাওয়া যায়। তিনি গ্রন্থে উল্লেখ করেন সোদকাওয়ানের নিকটে দুটি নদীর মিলিত স্থান। আর সোদকাওয়ান থেকে শ্রীহটে যেতে কামরূপ হয়ে যেতে হয়। এতে প্রায় মাসখানেক সময় লাগে। তার এ বর্ণনায় মূলত পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর মিলিত মোহনাকে নির্দেশ করে পাশাপাশি কামরূপ রাজ্য চট্টগ্রাম থেকে নিকটবর্তী। অতএব, সুলতান ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের অধীনে থাকা সোদকাওয়ান ও পূর্ব-দক্ষিণের কামরূপের ভৌগোলিক নিকটতা প্রমাণ করে যে তৎকালীন সোদকাওয়ানই বর্তমান চট্টগ্রাম।
৯ জুলাই, ১৩৪৬ খ্রীস্টাব্দে বতুতা সোদকাওয়ানে প্রবেশ করেন। তার মতে, ‘সোদকাওয়ান হলো সমুদ্র নিকটবর্তী বাংলা প্রবেশের প্রথম শহর। [7]A History of Chittagong voll.1, Suniti Bhushan Qanungo, p.131. শহরটির পাশে একটি দ্বীপ অতিক্রম করতে হয়, এর অল্প দূরে দুটি নদীর মিলনস্থল।’ ইবনে বতুতার যাত্রার মূল প্রতিপাদ্য ছিলো সিলেটে সুফি শাহ জালাল (র.)-এর সাথে দেখা করা। ফলে তিনি চট্টগ্রামে সিলেট যাওয়ার জন্য কাফেলার অপেক্ষা করেন। তার এ অল্প সময়ে তিনি সোদকাওয়ানের পরিবেশ দেখে বেশ মুগ্ধ হন। এই বর্ণনা থেকে ধারণা করা যায়, ইবনে বতুতা চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলের পুরাতন বন্দর এলাকায় (বর্তমান আনোয়ারা উপকূল) সম্ভবত অবতরণ করেছিলেন। কারণ মুঘল শাসনের পূর্বে চট্টগ্রামের প্রধান বন্দর এখানেই ছিল। এ অঞ্চল তখন আরব, পারস্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বণিকদের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, এখানে বিভিন্ন জাতির মানুষ বাণিজ্যের জন্য সমবেত হতো এবং বাজারে খাদ্যপণ্য, শস্য ও মসলাজাত দ্রব্য অতি সুলভ মূল্যে বিক্রি হতো। সোদকাওয়ান থেকে একদল যাত্রী শ্রীহট (সিলেট)-এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করলে তিনি তাদের সাথে যুক্ত হন।
চট্টগ্রামে ইবনে বতুতার আগমনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সুফি সাধক শাহ জালাল তাবরীজ (রহঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা। শাহ জালাল তাবরীজ (রহঃ) তখন কামরূপ অতিক্রম করে সিলেটে অবস্থান করছিলেন। ইবনে বতুতা লিখেছেন যে, সোদকাওয়ান থেকে কামরূপ হয়ে সিলেট পৌঁছুতে প্রায় এক মাস সময় লাগতো এবং পথটি ছিল দুর্গম ও বিপদসংকুল। কাফেলার সহায়তায় তিনি অবশেষে সিলেটে পৌঁছন এবং শাহ জালালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। শাহ জালাল তাবরীজ (রহঃ)-এর সাথে সাক্ষাতের আগে পথে তাঁর চারজন শিষ্যের সঙ্গে দেখা হয়। তারা বলেন, ‘তাদের শায়েখ আগে থেকে জানতেন ইবনে বতুতা তার সাথে দেখা করতে আসবেন। ফলে তিনি তা আগে থেকে তার শিষ্যদের জানিয়ে রাখছিলেন।’ ইবনে বতুতা শাহ জালাল তাবরীজ (রহ.) সম্পর্কে লিখেছেন, “আমি এমন এক সাধকের সাক্ষাৎ পেলাম, যার পবিত্রতা ও আধ্যাত্মিক জ্ঞানে আমি অভিভূত হলাম।”[8]Travels of Ibn Battuta, H.A.R. Gibb translation, p. 268.
সিলেটে ৩ দিন অবস্থান শেষে ইবনে বতুতা পুনরায় চীন যাত্রার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার সিলেট থেকে তৎকালীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁও যেতে ১৫ দিন সময় লাগে। সেখান থেকে জাহাজে জাভা গমন করেন। অবশেষে চীনের কুয়ানচৌ বন্দরে পৌঁছন। এর মাধ্যমে তার চীন অভিযাত্রার সফর শেষ হয়।[9]বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম, ড. আবদুল মমিন চৌধুরী, ড. এ. বি. এম. … Continue reading
ইবনে বতুতার আগমন সোদকাওয়ানের (Sudkawan) ইতিহাসে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, ইসলাম প্রচার ও সংস্কৃতির বিকাশে এক যুগান্তকারী ঘটনা। তাঁর বর্ণনায় সোদকাওয়ান বন্দরের অর্থনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য, বণিকসম্প্রদায়ের উপস্থিতি ও সমৃদ্ধ বাজারব্যবস্থা থেকে বোঝা যায়, সোদকাওয়ান সে সময় বিশ্ববাণিজ্যের মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করেছিল। তিনি লিখেছেন, ‘শহরের উপকূলে বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ সারিবদ্ধভাবে নোঙর করা দেখা যায়।’ তার এ ভ্রমণ সোদকাওয়ানের মধ্যযুগের ইতিহাসে এক নতুন সংযোগ তৈরি করে। তার বর্ণনার মাধ্যমে বোঝা যায় তৎকালীন সোদকাওয়ান বা চট্টগ্রামের বন্দরিক অবস্থা। যা চট্টগ্রামের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।[10]Travels of Ibn Battuta, H.A.R. Gibb translation, p.267-272.
ইবনে বতুতার “সোদকাওয়ান” পদার্পণ মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়। তাঁর বর্ণনা থেকে স্পষ্ট যে, চট্টগ্রাম তখন কেবল একটি বন্দরনগরী নয়, বরং বাণিজ্য ও সংস্কৃতি কেন্দ্র ছিল। তাঁর “রিহলা”য় সোদকাওয়ানের বিবরণ আমাদের জানায় যে, ১৪ শতকের বাংলা ছিল মুসলিমবিশ্বের ভ্রমণ ও বাণিজ্যপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। ইবনে বতুতার ভ্রমণ শুধু ঐতিহাসিক নথি নয়, বরং এটি বাংলার প্রাচীন সামুদ্রিক ঐতিহ্য ও ইসলামী সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল সাক্ষ্য; যা আজও ইতিহাসচর্চায় অমর হয়ে আছে।
তথ্যসূত্র:
| ↑1 | ইবনে বতুতার সফরনামা, মোহাম্মদ নাসির আলী, ধ্রুপদ প্রকাশিত-২০১৪, পৃষ্ঠা ৫-৬। |
|---|---|
| ↑2 | প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৯৯-১১৬। |
| ↑3 | Travels of Ibn Battuta, translated by H.A.R. Gibb, p.265. |
| ↑4 | প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ১১৭-১৩৫। |
| ↑5 | প্রাচ্যের রানি চট্টগ্রামের নামের খোঁজে, বদল হয়েছিল ৪৮ বার! ‘রাফিয়া মাহমুদ প্রাত, The Business Standard,14 October, 2024, 02:40 pm. |
| ↑6 | আবদুল হক চৌধুরীর রচনাবলি-২য় খন্ড, সম্পাদনা: আবদুল করিম ; প্রকাশক : বাংলা একাডেমি -২০১৩ ; পৃষ্ঠা-১৫। |
| ↑7 | A History of Chittagong voll.1, Suniti Bhushan Qanungo, p.131. |
| ↑8 | Travels of Ibn Battuta, H.A.R. Gibb translation, p. 268. |
| ↑9 | বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম, ড. আবদুল মমিন চৌধুরী, ড. এ. বি. এম. মাহমুদ, ড. সিরাজুল ইসলাম, প্রকাশক-মনজুর খান চৌধুরী—নওরোজ কিতাবিস্থান-২০১৫, পৃ. ১৮৬। |
| ↑10 | Travels of Ibn Battuta, H.A.R. Gibb translation, p.267-272. |
অসাধারণ হয়েছে ভাই,, এইরকম আরো লেখা চাই 🤲