ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। প্রাচীনকালে আরব্য সমাজ-সংস্কৃতিতে যখন যুদ্ধ-বিগ্রহ লেগে ছিল, তখন ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে বিশ্বমানবতার শান্তির দূত হয়ে আসেন হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (স.)। তিনি ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুয়ত প্রাপ্ত হন এবং ইসলামের যাত্রা শুরু হয়। ইসলামের মূল বিষয় গুলোর একটি হলো সওম বা রোজা। আর এ সওম পালন করা হয় আরবি ‘রমজান’ মাসে। সওমের মূল উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া বা আত্মশুদ্ধি অর্জন করা। (১)
প্রাচীনকাল থেকে আরবরা ব্যবসা-বাণিজ্যে পারদর্শী ছিল। ফলে প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে তাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি হয়। ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠার পর অনেক সাহাবি উক্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জলপথে কিংবা স্থলপথে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েন। তখন চট্টগ্রাম ছিল আন্তর্জাতিক সমুদ্রবাণিজ্যের অন্যতম পরিচিত বন্দর। মহানবি (স.) এর জীবদ্দশায় ৬১৭ খ্রিষ্টাব্দে ৫ জন সাহাবি চট্টগ্রামে আসেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তাঁরা এখানে দীর্ঘ ৪ বছর ধরে ইসলামও প্রচার করেন। (২) এতে বুঝা যায় ইসলামের শিশুকাল থেকেই চট্টগ্রামে ইসলামের আবির্ভাব হয়। ইসলাম আবির্ভাবের ফলে চট্টগ্রামে ইসলামি সংস্কৃতিরও অনুপ্রবেশ হয়। আর ইসলামি সংস্কৃতির অনবদ্য একটি অংশ হলো রমজানের ‘সওম’ বা রোজা। আজ আমাদের আলোচনার বিষয় হলো ঐতিহাসিক এ চট্টগ্রামে শত শত বছর ধরে চলে আসা রমজানের সংস্কৃতি ও জনজীবন নিয়ে।
রমজানের ইফতার সংস্কৃতি :

চট্টগ্রামের রমজানের আকর্ষণগুলোর অন্যতম হলো ইফতারের বাহারি আয়োজন। সারাদিন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে রোজা রাখার পর দিনের শেষবেলায় রোজাদারদের পরিতৃপ্তির জন্য জাঁকজমকপূর্ণ ইফতারের আয়োজন করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চট্টগ্রামে মুসলিমদের বসবাসের ফলে এ ইফতার সংস্কৃতি রাজকীয় পর্যায়ে আবির্ভূত হয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো ইফতারে এখানেও বাহারি খাবারের আয়োজন থাকে। যথা—ছোলা ভুনা, পেঁয়াজু, বেগুনি, জিলাপি, মি-দানা, আলুর চপ, ডিম চপ, মাংসের চপ, কাবাব, বিভিন্ন ধরনের লাচ্ছি ও শরবত ইত্যাদি।
তবে অন্যান্য অঞ্চলের থেকে চট্টগ্রামের কিছু ভিন্ন আয়োজনও রয়েছে। যথা—‘শাহী হালিম’, ‘মহব্বত কা শরবত’, ‘মেজবান’ ইত্যাদি। ‘শাহী হালিম বা হারিশা’ আরবীয়-পারস্য একটি খাবার, যা মোগল আমল থেকে উপমহাদেশে প্রচলিত। তবে এটা নিশ্চিত নয় যে মোগল আমলেই প্রথম এটি উপমহাদেশে প্রচলন হয়। হয়তো এর আগেও এর প্রচলন ছিলো বলে রন্ধন শিল্পীরা মনে করেন। কারণ আরব-পারস্যে ইসলাম আবির্ভাবের সময় থেকে এর ব্যবহার ছিলো। তাছাড়া ‘হারিশার’ সবচেয়ে পুরনো লিখিত রেসিপি পাওয়া যায় খ্রিস্টীয় দশম শতকের দিকে বাগদাদে ‘কিতাব আল তাবিখে’। যে গ্রন্থের লেখক ছিলো আবু মুহাম্মদ আল মুজ্জাফর ইবন সায়ার নামে এক ব্যাক্তি। (৩) এতে বুঝা যায় ‘হারিশা’ বা হালিমের প্রচলন অনেক আগে থেকে। যেহেতু চট্টগ্রামে ৭ম-৮ম শতকে ইসলামের আগমন হয়। তাই চট্টগ্রামে তখন থেকে ‘হারিশা’ বা ‘হালিমের’ প্রচলন ছিলো বলে বলা যায়। কিন্তু বর্তমানে চট্টগ্রামে যে ‘শাহী হালিমের’ দেখা মিলে তা মোগল আমলেরই। যাই হোক, দীর্ঘ সময় ধরে চট্টগ্রামের ইফতারের আয়োজনে ‘শাহী হালিম’ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে স্থান পেয়ে আসছে।
‘মহব্বত কা শরবত’ উপমহাদেশে খুবই পরিচিত একটি পানীয়। ‘শরবত’ শব্দটি এসেছে ফারসি শব্দ ‘শারবাত’ থেকে। যার অর্থ পানীয়। (৪) মোগল সম্রাটদের হাতধরে পারস্য থেকে এ পানীয়ের আগমন। সম্রাট বাবরের প্রিয় পানীয়র একটি এটি। ১৬৬৬ সালে মোগলদের চট্টগ্রাম বিজয়ের পর এ পানীয় চট্টগ্রামের রমজানীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যায়।
‘মেজবান’ একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ নিমন্ত্রণকারী। চট্টগ্রামের ভাষায় একে’মেজ্জান’ বলে থাকে। চট্টগ্রামের মানুষরা আতিথেয়তা প্রদর্শনের জন্য কারো মৃত্যু, জন্ম বা স্মরণে মেজবানের আয়োজন করতেন। মুঘল আমল থেকে এর চর্চা ছিল। কবি-সাহিত্যিকদের সাহিত্যেও অনেক সময় ‘মেজবানের’ উল্লেখ পাওয়া যায়। জনপ্রিয় ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া লিখেছেন—
“ওরে দেশের ভাই, খুশির সীমা নাই।
জলদি আইয়ু সাজিগুজি, মেজ্জান খাইবার লাই।”(৫)
ধীরে ধীরে এটি চট্টগ্রামের রমজানের ইফতার ও সেহরির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়। তাছাড়া চট্টগ্রাম এমন একটি অঞ্চল, যাকে বার আউলিয়ার দেশ বলা হয়। এখানে বিভিন্ন আউলিয়ার দরবার শরিফ রয়েছে। ফলে এসব দরবারে সাধারণ মানুষদের আতিথেয়তার জন্য মেজবানের আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে উরশ উপলক্ষে এর আয়োজন ব্যাপক হয়ে থাকে।
এছাড়াও স্থানভেদে চট্টগ্রামে ইফতারে বিভিন্ন খাবার দীর্ঘ সময় ধরে যুক্ত হয়ে আসছে। আরবীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকায় এখানকার খাবারে মাংসজাতীয় উপাদানের প্রাধান্যও রয়েছে। পাশাপাশি জাঁকজমকভাবে ইফতারের আয়োজন করা হয়, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় একে স্বতন্ত্রতা প্রদান করে থাকে।
সেহরি ও রাতের পরিবেশ :
ইফতারের পরপরই চট্টগ্রামের আকাশে নেমে আসে এক ভিন্ন আবহ। মাগরিবের আজান শেষে খাবারের পাঠ গুছিয়ে মানুষ ধীরে ধীরে ছুটে যান মসজিদের পথে। তারাবির নামাজ শেষে দল বেঁধে বাড়ি ফেরা, কোথাও হালকা গল্প, কোথাও ধর্মীয় আলোচনা ইত্যাদি রমজানের রাতকে যেন নতুন করে প্রাণ দিত।
এই অঞ্চলের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের শেকড় অনেক গভীরে প্রোথিত। সুলতানি যুগ থেকেই সুফি সাধকদের আগমন শুরু হয় এ ভূখণ্ডে। চট্টগ্রামের নিরিবিলি পাহাড়ি পরিবেশ, নদী আর সাগরের মিলিত সুর তাদের মনে জাগিয়েছিল সাধনার আকাঙ্ক্ষা। ফলে এখানে গড়ে ওঠে অসংখ্য দরবার ও খানকাহ। মুঘল আমলে রমজানের রাতগুলো এসব দরবারে হয়ে উঠত আরও আলোকোজ্জ্বল। সারারাত মোমবাতির আলো জ্বলত, চলত জিকির-আসকার ও কোরআন তিলাওয়াত। ভক্তরা গভীর রাত পর্যন্ত ইবাদতে মগ্ন থাকতেন। তাহাজ্জুদের নামাজে দাঁড়িয়ে অনেকেই অশ্রুসিক্ত হয়ে প্রার্থনা করতেন মহান আল্লাহর নিকটে।
সেহরির সময় ঘনিয়ে এলে শুরু হতো আরেক নতুন দৃশ্য। তখনকার দিনে মানুষের ঘুম ভাঙাতে পাড়ায় পাড়ায় ‘ড্রাম’ বাজানো হতো। সেই ঢোলের ছন্দে রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে মানুষ জেগে উঠত সেহরির প্রস্তুতিতে। পরবর্তী ঔপনিবেশিক আমলে এ প্রথায় আসে নতুনতা। ড্রামের জায়গায় যুক্ত হয় সাইরেন। নির্দিষ্ট সময়ে সাইরেন বেজে উঠলে ঘুমন্ত নগরী জেগে উঠত একসঙ্গে। তখন সেহরি শুধু ভোরের আহার নয়। এটি ছিল পারিবারিক মিলনেরও একটি মুহূর্ত। ঘুমজড়ানো চোখে সবাই একসঙ্গে বসে খেতেন, চলত হাসি-আনন্দ আর আন্তরিক কথোপকথন। রমজানের রাত তাই চট্টগ্রামে শুধু সময়ের একটি অংশ নয়। এটি আধ্যাত্মিকতা, ঐতিহ্য ও জনজীবনের এক অপূর্ব মিলনমেলা।
সামাজিকতা ও মানবিকতা :
রমজান এলেই চট্টগ্রামের সমাজজীবনে এক অনন্য পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। সামাজিক ভেদাভেদ, ধনী-গরিবের পার্থক্য সবকিছু যেন ইফতারের একটি দস্তরখানেই মিলেমিশে যায়। নগরীর বিভিন্ন মসজিদে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ একসঙ্গে বসে ইফতার করেন। পরিচয়, পেশা কিংবা অবস্থান এসব তখন আর মুখ্য থাকে না। বিশেষ করে ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদে বর্তমানে গত প্রায় পঁচিশ বছর ধরে প্রতিদিন হাজারো রোজাদারকে ইফতার করিয়ে আসছে। এ মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়, বরং রমজানে এটি হয়ে ওঠে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তবে শুধু আন্দরকিল্লা নয়, নগরীর অন্যান্য মসজিদগুলোতেও দীর্ঘদিন ধরে শত শত মানুষ একসঙ্গে ইফতার করার ঐতিহ্য বজায় রয়েছে। রমজানের মাসব্যাপী এই সম্মিলিত আয়োজন চট্টগ্রামের সামাজিক ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করে।
মসজিদের পাশাপাশি দরবারগুলোর ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বিশেষ করে মাইজভান্ডার দরবার শরীফের বিভিন্ন মনজিলে ইফতারের পাশাপাশি জনসাধারণের জন্য ইফতার ও সেহরির আয়োজন করে থাকে। দরবারের এই আয়োজন শুধু ধর্মীয় অনুশীলন নয়, বরং এটি মানবসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। (৬) তদ্রূপ, সুফি বদর শাহের দরবারের নিকটবর্তী এলাকাতেও বছরের বিভিন্ন সময়ে জনসাধারণের সহায়তায় এগিয়ে আসার নজির রয়েছে। রমজান মাসে এই মানবিক কার্যক্রমের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়। খাদ্য বিতরণ, দান-সদকা ও সহযোগিতার মাধ্যমে দরবারগুলো সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ায়।
মূলত চট্টগ্রামে রমজানের সামাজিকতা ও মানবিকতার এই সংস্কৃতি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিকশিত হয়েছে—সুলতানি, মুঘল ও ঔপনিবেশিক আমল পেরিয়ে আজও তা সমানভাবে চর্চিত হয়। এই ঐতিহ্য প্রমাণ করে, রমজান এখানে শুধু একটি ধর্মীয় মাস নয়। এটি মানবিক চেতনা, সাম্য ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের এক জীবন্ত প্রতিফলন।
বাণিজ্যিক প্রাণচাঞ্চল্য :
রমজান এলেই চট্টগ্রামের বাজারগুলো যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়। সকাল থেকে গভীর রাত সবখানেই এক ব্যস্ততা, এক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এ শহরের বাণিজ্যিক ঐতিহ্য অবশ্যই আজকের নয়৷ ৭ম-৮ম শতকে ইসলাম আগমনের আগ থেকেই বন্দরনগরী হিসেবে চট্টগ্রাম ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। আরব, পারস্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বণিকদের আনাগোনায় বাজারগুলো ছিল চিরচেনা কোলাহলে মুখর।
ইসলাম আগমনের পর রমজান মাসে এই বাজারগুলোতে যুক্ত হয় এক ভিন্ন আমেজ। সুলতানি আমলে বাজারগুলো ছিল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে, তবে মুঘল শাসনামলে শহরটি সুসংগঠিত রূপ পেতে শুরু করে। তখনকার দিনে চকবাজার, হালিশহর ও শোলকবহরের মতো এলাকাগুলোতে জমে উঠত রমজানের বাজার। সন্ধ্যা নামলেই ইফতারসামগ্রী সাজিয়ে বসতেন বিক্রেতারা।
ঔপনিবেশিক আমলে শহরের পরিধি ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ফলে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে নানা দেশের মানুষের আসা-যাওয়া বাড়ে। এর প্রভাব পড়ে নগরীর বাজার ব্যবস্থায়ও। বাজারের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, পণ্যের ভিন্নতা বাড়ে, আর মানুষের ভিড় হয়ে ওঠে আরও ঘন।
আজকের মহানগর চট্টগ্রামে কোটি মানুষের বসবাস। তাদের নিত্যপ্রয়োজন মেটাতে ঐতিহ্যবাহী বাজারগুলো এখনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে রমজান মাসে এ বাজারগুলো যেন বিশেষ সাজে সেজে ওঠে। সন্ধ্যার আগে দোকানগুলোতে সারি সারি সাজানো থাকে ছোলা, বুট, হালিম, জিলাপি, বেগুনি, পেঁয়াজু থেকে শুরু করে নানান বাহারি ইফতারসামগ্রী। শতাধিক রকমের খাবারের সমাহার ক্রেতাদের আকর্ষণ করে। সেহরির সময়ও থেমে থাকে না এই প্রাণচাঞ্চল্য। অনেক রেস্তোরাঁ খোলা থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। গরম গরম মেজবানি মাংস, ভাত সবকিছু পরিবেশন করা হয়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, চট্টগ্রামের বাজারগুলো অন্য সময়ের তুলনায় রমজানে আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। বাণিজ্য, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আবহ এই তিনের মিলনে রমজানের চট্টগ্রাম হয়ে ওঠে এক অনন্য বন্দরনগরীর প্রতিচ্ছবি।
পরিশেষে বলা যায়, চট্টগ্রাম এমন এক ঐতিহাসিক শহর, যেখানে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ইসলামের প্রাথমিক আগমন হয়। বন্দরনগরী হিসেবে আরব বণিক ও সুফি সাধকদের আগমনের মাধ্যমে যে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ধারা এখানে সূচিত হয়েছিল, রমজানের সংস্কৃতি তারই ধারাবাহিক রূপ। ফলে চট্টগ্রামে রমজান শুধু একটি ধর্মীয় মাস নয়। এটি শত শত বছরের ঐতিহ্যে গড়ে ওঠা এক জীবন্ত সাংস্কৃতিক অভ্যাস।
তথ্যসূত্র :
১. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৯৪ /https://www.hadithbd.com/books/link/?id=9675.
২. পীর আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রাম, জামাল উদ্দিন, ২০১৮,পৃষ্ঠা-২।
৩. হালিম সমাচার, Shakib Mustavee, / https://archive.roar.media/bangla/main/food/a-brief-history-of-haleem.
৪. “ইফতারি সংস্কৃতিতে মোগল ঐতিহ্য”, শরীফা বুলবুল, দৈনিক ইত্তেফাক, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬।
৫. ঐতিহ্যবাহী মেজবানের একাল-সেকাল, Ahmed Bhuiyan, / https://archive.roar.media/bangla/main/food/past-and-present-of-traditional-mejbani.
৬. “বাংলায় সুফিদের লঙ্গরখানা ও চলমান ইফতার আয়োজনের ধারা”, Maqam Research Team, ৩ মার্চ ২০২৬।