দেওবন্দি চিন্তাধারা : ঐতিহ্য পাঠে মধ্যপন্থা ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভারসাম্য

আবদুল্লাহিল বাকি

ইসলামী জ্ঞানজগতের সমসাময়িক বিভিন্ন ঘরানার মধ্যে ঐতিহ্য (তুরাস) পাঠ, বিচার ও পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রে দেওবন্দি ঘরানার অবস্থান আপন স্বাতন্ত্র্যের কারণে বিশেষভাবে লক্ষণীয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, এই ঘরানার মূল প্রবণতা হলো ঐতিহ্য ও সমসাময়িক অন্যান্য চিন্তাধারার পর্যালোচনায় ভারসাম্যপূর্ণ মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা। একপেশে বিচার এবং সংকীর্ণ ঘরানাকেন্দ্রিকতাকে সযত্নে পরিহার করার প্রয়াস দেখা যায় তাদের মাঝে।

এই উদারতার বিপরীত চিত্র প্রকটভাবে দৃশ্যমান সমসাময়িক কিছু প্রভাবশালী ধর্মতাত্ত্বিক ঘরানার মধ্যে। সেখানে ঐতিহ্য পাঠের ক্ষেত্রে নির্বাচিত (selective) পাঠ ও একক কেন্দ্রমুখী আনুগত্যের মানসিকতা ক্রিয়াশীল। উদাহরণস্বরূপ, সুফিবাদী ও বেরেলবী ঘরানায় ইমাম গাযালী, ফখরুদ্দিন রাযী বা ইবনে আরাবীর মতো সুফি ও কালামি ব্যক্তিত্বরা সর্বোচ্চ শ্রদ্ধার আসনে আসীন। কিন্তু ইবনে তাইমিয়া, ইবনে হাযম বা শাহ ইসমাইল শহীদের মতো তাকলিদ ও সুফিধারা সম্পর্কে ক্রিটিক্যাল মনীষীদের প্রায়শই নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং তাত্ত্বিক আলোচনার মৌলিক কেন্দ্র থেকেই তাদের বিচ্যুত হিসেবে দেখা হয়। এর ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যায় সালাফিবাদী বা আহলে হাদিস ঘরানায়। সেখানে সুফিবাদী ও কালামশাস্ত্রীয় ধারাকে (আশআরী-মাতুরিদী) বিদআত বা বিচ্যুতি হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতা প্রবল এবং ক্ষেত্রবিশেষে তাদের বিভিন্ন বিশ্বাস ও বয়ানকে কুফরির পর্যায়েও অভিযুক্ত করা হয়।

ফলস্বরূপ, এই ধারাগুলো যখন ‘আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআত’ বা ‘নাজাতপ্রাপ্ত দল’ পরিভাষাটি ব্যবহার করে, তখন তা প্রায়শই নিজেদের ঐতিহ্যগত সিলসিলা ও অনুসারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে এবং ভিন্নমতের অনুসারীদের হাদিসে উল্লিখিত ভ্রান্ত বাহাত্তর দলের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য করে।

এই বিভাজিত প্রেক্ষাপটেই দেওবন্দি ধারার ভিন্নতা ও স্বকীয়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঐতিহ্য পাঠের ক্ষেত্রে তাদের অনুসৃত জ্ঞানতাত্ত্বিক মূলনীতিটি হলো—‘প্রত্যেকেরই কিছু কথা গৃহীত হতে পারে, এবং কিছু কথা প্রত্যাখ্যাত হতে পারে।’ এই নীতির কারণেই তারা সালাফ বা পূর্বসূরীদের গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সিলসিলাকে বিশুদ্ধতার একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়নি।

তারা ইমাম গাযালী, ইবনে আরাবী, মনসুর হাল্লাজ বা জালালুদ্দিন রুমীর মতো সুফি ব্যক্তিত্বদের যেমন গভীর শ্রদ্ধার চোখে দেখেছে—তাদের মালফুজাত ও বয়ান সাহিত্য যার উজ্জ্বল প্রমাণ—এবং তাদের বিতর্কিত উক্তির ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছে, ঠিক তেমনই ইবনে জাওযী, ইবনে তাইমিয়া, ইবনুল কাইয়িম বা ইবনে হাযমের মতো ব্যক্তিত্বদেরও ফিকহ, হাদিস ও আকিদার ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে উদ্ধৃত করেছে। অর্থাৎ, শ্রদ্ধা ও আলোচনার কেন্দ্রে সবাইকে রেখেই নির্দিষ্ট বিষয়ে পর্যালোচনামূলক ভিন্নমত পোষণ করেছে, কিন্তু কাউকে মৌলিক শ্রদ্ধার জায়গা থেকে সরিয়ে দেয়নি।

দেওবন্দি ঘরানার এই জ্ঞানতাত্ত্বিক উদারতা যে কোনো একরৈখিক বা আরোপিত চিন্তাধারা নয়, বরং এটি একটি জীবন্ত পদ্ধতি, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ এর অভ্যন্তরীণ তাত্ত্বিক বৈচিত্র্য। আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী তাঁর বুখারীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘ফয়জুল বারী’-তে ইবনে তাইমিয়া ও ইবনে আরাবী দুজনকেই বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিপক্ষ ও সহযাত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। একদিকে তিনি ইবনে তাইমিয়ার কিছু মতের পাণ্ডিত্যপূর্ণ পর্যালোচনা করেছেন, অন্যদিকে ইবনে আরাবীকে ‘শাইখুল আকবর’ সম্বোধনে তাঁর ব্যাখ্যার গভীরতা ও তাৎপর্য তুলে ধরেছেন। হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভীর রচনায় সুফি ঐতিহ্যের আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা ও সংস্কার প্রাধান্য পেয়েছে, যা ইবনে আরাবী ও রুমীর পাঠের গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর বিপরীতে, মাওলানা মনজুর নোমানী ও সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভীর মতো ব্যক্তিত্বদের চিন্তায় ও লেখায় ইবনে তাইমিয়ার চিন্তার প্রভাব অধিক দৃশ্যমান। এমনকি আলী নদভী ইবনে আরাবীর কিছু ধারণার সমালোচনাও করেছেন।

ঐতিহ্যের পাশাপাশি সমসাময়িক বিভিন্ন ঘরানাকে বিচারের ক্ষেত্রেও এই উদারতা লক্ষণীয়। তারা একদিকে শাইখ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ, মুস্তফা সিবায়ী বা ইউসুফ কারদাভীর মতো ইখওয়ান-ঘেঁষা তাত্ত্বিকদের যেমন শ্রদ্ধা করেন, তেমনি অন্যদিকে শাইখ জাহিদ আল-কাওসারী, মুস্তফা সবরী বা রামাদান আল-বুতীর মতো কালামী ধারাকেও অত্যন্ত গুরুত্বের চোখে দেখেন এবং উভয় ধারার জ্ঞান থেকেই উপকৃত হন।

এই বৈচিত্র্য প্রমাণ করে, দেওবন্দ কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক মতাদর্শ নয়, বরং একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক পদ্ধতি, যা নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে থেকে ভিন্ন ভিন্ন উপসংহারে পৌঁছুনোর সুযোগ দেয়।

ঐতিহ্য ও সমসাময়িক ঘরানা পাঠ ও পর্যালোচনার ক্ষেত্রে কোনো এককেন্দ্রিকতাকে আঁকড়ে না ধরা, বরং সবাইকে পর্যালোচনার দৃষ্টিতে দেখা এবং শ্রদ্ধার ক্ষেত্রে এই সার্বজনীনতা প্রদর্শনের পেছনে কয়েকটি  কারণ বিদ্যমান। এর বুদ্ধিবৃত্তিক শেকড় অনুসন্ধান করলে ধর্মতাত্ত্বিক ও শিক্ষাপদ্ধতিগত কারণ পাওয়া যায়।

প্রথমত, দেওবন্দ ঘরানার তাত্ত্বিক ভিত্তি শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবীর দর্শনের ওপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতা ও তাত্ত্বিকরা কোনো পৃথক চিন্তাধারা প্রতিষ্ঠা করতে চাননি, বরং শাহ ওয়ালিউল্লাহর দেখানো পথে ‘আহলে সুন্নাহ’-র একটি সার্বজনীন রূপের প্রতিনিধিত্ব করতে চেয়েছেন। শাহ ওয়ালিউল্লাহর কাছে ‘আহলে সুন্নাহ’ কোনো নির্দিষ্ট দল, একক সিলসিলা বা ঘরানার নাম ছিল না, বরং এটি ছিল কিছু মৌলিক মূল্যবোধ ও চিন্তাধারার সমষ্টি। এই অবস্থানটি তিনি তাঁর অমর গ্রন্থ ‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ’-র ভূমিকায় অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি বলেন: “মূলত ‘সুন্নাহ’ কোনো নির্দিষ্ট ধর্মতাত্ত্বিক ধারার নাম নয়। বরং, দীনের মৌলিক বিষয়গুলো মেনে চলার পরও বিভিন্ন বিষয়ে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। এর ফলে তারা বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত হয়েছে। … কোনো দল যখন নিজেদেরকে সুন্নাহর অনুসারী দাবি করে প্রতিপক্ষের উপর শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করে, আমি তা অনুমোদন করি না। … ব্যাখ্যাগত বিষয়ের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহ থেকে তাদের সব উপলব্ধিই যে সঠিক বা বেশি গ্রহণযোগ্য ছিল, তা নয়। তারা কোনো বিষয়কে যার উপর নির্ভরশীল মনে করেছে, তা-ই যে প্রশ্নাতীতভাবে গৃহীত হবে, এমন নয়। একইভাবে, তারা যা বর্জন করতে বলেছে, তা-ই যে তর্কাতীতভাবে বর্জনীয়, তা-ও নয়। …

মূলত কাউকে ‘সুন্নি’ গণ্য করাটা প্রথম প্রকারের (মৌলিক) বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত, দ্বিতীয় প্রকারের (ব্যাখ্যাগত) বিষয়ের সাথে নয়। তাই আপনি দেখবেন আহলে সুন্নাতের আলিমদের মধ্যেই দ্বিতীয় প্রকারের বহু বিষয়ে মতভেদ রয়েছে; যেমন আশআরি ও মাতুরিদিদের মধ্যে।

… মুসলিমরা নানা শাখা-প্রশাখা ও মাযহাবে বিভক্ত। তাদের মাঝে বিভেদ তৈরি করেছে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ। সেক্ষেত্রে আপনি আমাকে দেখবেন সেই স্পষ্ট ও প্রধান পথেই অবিচল থাকতে এবং একনিষ্ঠভাবে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে। আমি পথের কিনারা বা প্রান্তসীমায় বিচ্যুত হব না।” (বিস্তারিত দেখুন, হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ, পৃ. ৫৮-৬২)

এই উদার ধর্মতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিই দেওবন্দকে একক সিলসিলার আনুগত্যের ঊর্ধ্বে উঠে ভিন্নমতকে পর্যালোচনার পরিসর দিয়েছে।

দ্বিতীয় এবং অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিটি হলো দেওবন্দের শিক্ষাপদ্ধতি। ঐতিহাসিকভাবে ‘দরসে নিজামী’-র এই পরিমার্জিত পাঠ্যক্রমে ব্যকরণ (নাহু, সরফ), অলঙ্কারশাস্ত্র (বালাগাত), যুক্তিবিদ্যা (মানতিক) এবং ধ্রুপদী সাহিত্যের মতো ‘উলুমুল আলাত’ বা যান্ত্রীয় জ্ঞানের ওপর যে গভীর গুরুত্বারোপ করা হয়, তা-ই একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ ও বিচারমূলক চিন্তার ভিত্তি গড়ে দেয়। এই শিক্ষাদর্শনের মূল কথা হলো—ধর্মীয় জ্ঞানের মূল উৎস বা ‘নস’ পর্যন্ত পৌঁছুনোর জন্য পাঠককে প্রথমে সেই উৎসের ভাষা, তার আলঙ্কারিক প্রকাশভঙ্গি এবং যুক্তিকাঠামো অনুধাবনের হাতিয়ার অর্জন করতে হবে।

পাঠ্যক্রমে ইমাম সাদুদ্দিন তাফতাজানীর মতো যুক্তিবাদী-ঐতিহ্যবাদী ব্যক্তিত্বের একাধিক গ্রন্থ অন্তর্ভুক্তি এই ভারসাম্যকেই নির্দেশ করে—যেখানে ‘আকল’ (যুক্তি) ব্যবহৃত হয় ‘নকল’ (ঐতিহ্য)-কে বোঝার এবং ঐতিহ্যের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার জন্য। এই পদ্ধতি একদিকে যেমন বুদ্ধিবাদীদের চরম যুক্তিবাদ থেকে দূরে রাখে, তেমনই আক্ষরিকতাবাদীদের থেকেও নিরাপদ দূরত্ব তৈরি করে।

এই পর্যায়ে এসে দরসে নিজামীর শিক্ষাদর্শনের সঙ্গে পশ্চিমা ক্ল্যাসিকাল লিবারেল আর্টসের একটি পদ্ধতিগত সাদৃশ্য চোখে পড়ে। লিবারেল আর্টসের ভিত্তি হলো “ট্রিভিয়াম”—অর্থাৎ গ্রামার, লজিক ও রেটরিক। উভয় শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য ভিন্ন। দেওবন্দের উদ্দেশ্য ওহী-ভিত্তিক জ্ঞানকে সুরক্ষিত রাখা ও ব্যাখ্যার জন্য দক্ষ আলিম তৈরি করা। আর লিবারেল আর্টসের উদ্দেশ্য ছিল সামগ্রিকভাবে বিকশিত ও চিন্তাশীল নাগরিক তৈরি করা। কিন্তু উদ্দেশ্য ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও, লক্ষ্যে পৌঁছুনোর পদ্ধতি বা জ্ঞানতাত্ত্বিক পথটি আশ্চর্যজনকভাবে এক। উভয়ই বিশ্বাস করে যে, সত্যিকারের জ্ঞান অর্জনের জন্য ভাষা, যুক্তি ও কার্যকর প্রকাশের ওপর পূর্ণ দখল অর্জন অপরিহার্য। এই পদ্ধতিগত হাতিয়ারগুলোই শিক্ষার্থীকে ‘অন্ধ অনুকরণ’ থেকে বের করে ‘বিচারমূলক অনুসরণ’-এর পথে চালিত করে, যা জ্ঞানচর্চায় স্থবিরতা রোধে অপরিহার্য।

দেখা যাচ্ছে, দেওবন্দি ঘরানার ঐতিহ্য পাঠের এই উদারতা কোনো আকস্মিক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এর পেছনে ক্রিয়াশীল রয়েছে ধর্মতাত্ত্বিক দর্শন ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি। বর্তমানের এই বিক্ষুব্ধ ও মতাদর্শিকভাবে খণ্ডিত সময়ে দাঁড়িয়ে ঐতিহ্য পাঠ ও আত্মপরিচয় নির্মাণের ক্ষেত্রে এই দ্বিমুখী মডেল আমাদের জন্য এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

একদিকে শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবীর প্রদর্শিত ধর্মতাত্ত্বিক উদারতা এবং অন্যদিকে দরসে নিজামীর ‘উলুমুল আলাত’ কেন্দ্রিক জ্ঞানতাত্ত্বিক পদ্ধতিকে যদি আমরা পুনরায় সামনে রাখি, তবেই আমরা একাধারে বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা ও চিন্তার প্রশস্ততা অর্জন করতে পারব। এর মাধ্যমে বর্তমান সময়ের নানা চ্যালেঞ্জের মুখে আমরা নিজেদের জন্য একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল তাত্ত্বিক অবস্থান খুঁজে পেতে সক্ষম হব। এর বিপরীতে গিয়ে, কোনো ক্ষণিক ট্রেন্ডের স্রোতে গা ভাসিয়ে ঐতিহ্য পাঠের একপেশে ও সরলীকৃত পদ্ধতি অনুসরণ করলে, তা অনিবার্যভাবে আমাদেরকে সংকীর্ণতা ও ঘরানাকেন্দ্রিক গোঁড়ামির চক্রেই আবদ্ধ করে ফেলবে।

বিজ্ঞাপন

guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Md. Tamim
Md. Tamim
5 months ago

প্রথমে সূফীবাদীদেরকে যে বিপক্ষ বানালেন ;আপনারা কি সূফিবাদী না? সুফিবাদ কি কোনো একক ঘরানায় সীমাবদ্ধ?

Rabbi Hasan Shuvo
Rabbi Hasan Shuvo
5 months ago

যদিও ঘরোনাগুলো নিয়ে আমার তেমন সচ্ছ ধারণা নেই। তবুও ভালো লাগলো। বাকি ভাইয়ের আরো লেখা চাই।

নজরুল হোসেন
নজরুল হোসেন
5 months ago

সুচিন্তিত লেখা।