শহিদ ওসমান হাদি—এই নামটি লিখতে গেলেই আজও বুকের ভেতর হুহু করে ওঠে। সত্য, সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং ইনসাফের পক্ষে দাঁড়িয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করে তিনি আমাদের সামনে রেখে গেছেন এক কঠিন, অথচ আলোকিত লড়াইয়ের বিস্তৃত প্রান্তর। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কবিতা, সংস্কৃতি ও রাজনীতির ভাষায় শরিফ ওসমান হাদি হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের সমকালীন ইতিহাসের এক অনিবার্য নাম।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতিই তাঁকে এনে দেয় গণমানুষের একেবারে সামনে। ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তিনি একা উচ্চারণ করেছিলেন সত্যের স্পষ্ট ও নির্ভীক বার্তা। কোনো আপস নয়, কোনো দ্বিধা নয়—ওসমান হাদির কণ্ঠ ছিল সময়ের কাছে দায়বদ্ধ এক অবিচল উচ্চারণ।
তাঁর শাহাদাত দেশজুড়ে যে অভূতপূর্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে—লাখো মানুষের জানাজা, আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ ও সংহতির ঢেউ—সবই প্রমাণ করে, তিনি কখনোই একা ছিলেন না। তিনি ছিলেন বহু মানুষের ভেতরে জমে থাকা নীরব আর্তনাদের কণ্ঠ, নিঃশব্দ প্রতিবাদের ভাষা।
শহিদ ওসমান হাদির কথামালা, স্মৃতিচারণ ও চেতনাকে লালন করেই তৈরি করা হয়েছে “শহিদ ওসমান হাদির চুপ না থাকার দিনগুলি” শিরোনামের এই ডিজিটাল আর্টওয়ার্কসমূহ। শুধু নন্দনের বিবেচনায় নয়; এগুলো প্রতিরোধের স্মারক, সাহসের দলিল এবং ভবিষ্যতের প্রতি এক দায়বদ্ধ উচ্চারণ।

বেশ ভাল একটা কাজ
অনবদ্য উপস্থাপন